বহরমপুর — মুর্শিদাবাদ জেলার এই শহরের সাথে ড. প্রদ্যুৎ আচার্যের জ্যোতিষচর্চার সম্পর্ক বিশেষ। ইতিহাস, ঐতিহ্য আর মানুষের বিশ্বাসের এই শহরে জ্যোতিষ পরামর্শ পাওয়া আজ আরও সহজ — সরাসরি বা অনলাইনে।
ভাগীরথীর তীরে বহরমপুর — নবাবী ইতিহাসের শহর
বহরমপুর — মুর্শিদাবাদ জেলার সদর শহর, ভাগীরথী নদীর তীরে গড়ে ওঠা। ১৭৬৫ সালে ব্রিটিশ ক্যান্টনমেন্ট প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে এই শহরের আধুনিক ইতিহাস শুরু, কিন্তু এর শিকড় আরও গভীরে — নবাবী আমলের কাশিমবাজার ও মুর্শিদাবাদের ঐতিহ্যে জড়িয়ে আছে।
একসময় ১৭১৭ থেকে ১৭৭৩ পর্যন্ত বাংলা-বিহার-উড়িষ্যার রাজধানী ছিল এই অঞ্চল — মুর্শিদকুলি খানের নামে নামাঙ্কিত মুর্শিদাবাদ। ১৭৫৭ সালের পলাশীর যুদ্ধ ইতিহাসের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল এই ভাগীরথীর তীরেই।
এমন ঐতিহাসিক গুরুত্বপূর্ণ শহরের মানুষ স্বাভাবিকভাবেই ইতিহাস, ঐতিহ্য ও জীবনের গভীর প্রশ্নকে গুরুত্ব দেয় — যা জ্যোতিষচর্চার সাথেও সম্পর্কিত।
কাশিমবাজার রাজবাড়ি ও রেশম শিল্পের ঐতিহ্য
বহরমপুরের কাছেই কাশিমবাজার — যেখানে একসময় ইংরেজ, ফরাসি ও ডাচ বণিকরা রেশম বাণিজ্যের কুঠি স্থাপন করেছিল। কাশিমবাজার রাজবাড়ি বা শ্রীপুর প্যালেস আজও সেই সমৃদ্ধ ইতিহাসের সাক্ষী।
১৯০৭ সালে প্রথম বঙ্গীয় সাহিত্য সম্মেলনে সভাপতি হয়ে এই প্রাসাদে এসেছিলেন স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। মুর্শিদাবাদের বালুচরি শাড়ি ও রেশম শিল্প পৃথিবী বিখ্যাত — এই অঞ্চলের কারিগরদের নিপুণতা আজও মুগ্ধ করে।
এই সূক্ষ্ম শিল্পনৈপুণ্যের ঐতিহ্য বহন করা মানুষেরা জ্যোতিষেও সূক্ষ্ম বিশ্লেষণ ও গভীরতা প্রত্যাশা করেন — যা ড. আচার্যের কুণ্ডলী বিচারের ধরনের সাথে মেলে।
বহরমপুর থেকে অনলাইনে — দূরত্ব কোনো বাধা নয়
বহরমপুর থেকে রানাঘাটের দূরত্ব থাকলেও আজকের দিনে সেটা কোনো বাধা নয়। মুর্শিদাবাদ জেলার মানুষ WhatsApp ও ভিডিও কলে ড. প্রদ্যুৎ আচার্যের সাথে সরাসরি কথা বলে সম্পূর্ণ বাংলায় পরামর্শ নিতে পারেন।
হাজারদুয়ারি প্যালেস, কাঠগোলা বাগানবাড়ি ও মুর্শিদাবাদের অন্য ঐতিহাসিক স্থানগুলোর মতোই, এই জেলার মানুষের জীবনের প্রশ্ন ও সমস্যাও জ্যোতিষের আলোকে বিচার করা যায় — জন্মকুণ্ডলী, হস্তরেখা বা কুণ্ডলী মিলনের মাধ্যমে।
লালবাগ, জিয়াগঞ্জ, ডোমকল, কান্দির মানুষও এই অনলাইন সুবিধা ব্যবহার করতে পারেন — দূরত্ব যেন কখনো পরামর্শ পাওয়ার বাধা না হয়।
উপসংহার
নবাবী ইতিহাস আর রেশম শিল্পের শহর বহরমপুরের মানুষ ড. প্রদ্যুৎ আচার্যের কাছে WhatsApp বা ভিডিও কলে সহজেই পরামর্শ নিতে পারেন — সম্পূর্ণ বাংলায়, ঘরে বসেই।
