কৃষ্ণনগর — নদিয়া জেলার এই শহরের সাথে ড. প্রদ্যুৎ আচার্যের জ্যোতিষচর্চার সম্পর্ক বিশেষ। ইতিহাস, ঐতিহ্য আর মানুষের বিশ্বাসের এই শহরে জ্যোতিষ পরামর্শ পাওয়া আজ আরও সহজ — সরাসরি বা অনলাইনে।
কৃষ্ণনগর রাজবাড়ি — মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের শহর
নদিয়ার সদর শহর কৃষ্ণনগর — মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের রাজধানী, যিনি ছিলেন বিদ্যোৎসাহী ও সংগীতরসিক। তাঁর পৃষ্ঠপোষকতায় কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর, রামপ্রসাদ সেন, গোপাল ভাঁড়ের মতো গুণীজনের সমাবেশ ঘটেছিল এই শহরে।
কৃষ্ণনগর রাজবাড়ির বারোদোলের মেলা বাংলার অতি প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী মেলা, দুইশো বছরেরও বেশি পুরনো। দুর্গাপূজা, জগদ্ধাত্রী পূজা ও বারোদোলের সময় ছাড়া রাজবাড়ি সাধারণত বন্ধই থাকে — তবু এই ইতিহাস কৃষ্ণনগরবাসীর নিত্যদিনের গর্বের বিষয়।
এমন ঐতিহ্য আর বিদ্যাবত্তার শহরের মানুষ স্বাভাবিকভাবেই জ্যোতিষচর্চাকেও যুক্তি ও গভীরতার সাথে বিচার করতে চান — ঠিক যেমনটা ড. আচার্যের পরামর্শদানের ধরন।
ঘূর্ণির মাটির পুতুল — বিশ্ববিখ্যাত মৃৎশিল্পের শহর
কৃষ্ণনগরের ঘূর্ণি অঞ্চলের মাটির পুতুল পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কুটির শিল্প। ১৮৫১ সালে এই শিল্পীদের তৈরি পুতুল লন্ডনের প্রদর্শনীতে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছিল, এবং আজও তা বিশ্বজুড়ে রপ্তানি হয়।
সরভাজা ও সরপুরিয়ার জন্মস্থানও এই কৃষ্ণনগর — মিষ্টান্ন কারিগর অধরচন্দ্র দাসের হাতে তৈরি এই মিষ্টি আজও দেশ-বিদেশে সমাদৃত। জলঙ্গী নদীর তীরের মাটি থেকেই শিল্পীরা পুতুল তৈরির কাঁচামাল সংগ্রহ করেন।
এই হাতের কাজের নিষ্ঠা ও ধৈর্য — ঠিক যেমন একজন জ্যোতিষীর কুণ্ডলী বিশ্লেষণে প্রয়োজন হয় সূক্ষ্ম দৃষ্টি ও অধ্যবসায়।
কৃষ্ণনগর থেকে রানাঘাট — একই জেলার আত্মীয়তা
কৃষ্ণনগর থেকে রানাঘাট মাত্র কিছু কিলোমিটার দূরে — দুটোই নদিয়ার গুরুত্বপূর্ণ শহর, রেলপথে সরাসরি যুক্ত। ড. প্রদ্যুৎ আচার্যের চেম্বার রানাঘাটে, এবং কৃষ্ণনগরের মানুষ চাইলে সহজেই সরাসরি গিয়ে দেখা করতে পারেন।
যারা সময়ের অভাবে যেতে পারেন না, তাদের জন্য WhatsApp ও ভিডিও কলে সম্পূর্ণ বাংলায় পরামর্শ দেওয়া হয় — একই মনোযোগ, একই গভীরতায়। কৃষ্ণনগর শহর ও তার আশেপাশের নাকাশিপাড়া, চাপড়া, কালীগঞ্জের মানুষও এই সুবিধা নিতে পারেন।
নদিয়ার এই দুই শহরের মধ্যে যে সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক যোগসূত্র, তা ড. আচার্যের জ্যোতিষ-দর্শনেও প্রতিফলিত — যুক্তি, ভক্তি ও মানবিকতার সমন্বয়।
উপসংহার
মাটির পুতুল আর রাজবাড়ির শহর কৃষ্ণনগরের মানুষ ড. প্রদ্যুৎ আচার্যের কাছে সহজেই পরামর্শ নিতে পারেন — হয় রানাঘাটের চেম্বারে সরাসরি গিয়ে, না হয় WhatsApp বা ভিডিও কলে ঘরে বসেই, সম্পূর্ণ বাংলায়।
