রানাঘাট — নদিয়া জেলার এই শহরের সাথে ড. প্রদ্যুৎ আচার্যের জ্যোতিষচর্চার সম্পর্ক বিশেষ। ইতিহাস, ঐতিহ্য আর মানুষের বিশ্বাসের এই শহরে জ্যোতিষ পরামর্শ পাওয়া আজ আরও সহজ — সরাসরি বা অনলাইনে।
চূর্ণী নদীর তীরে — যে শহরে ড. আচার্যের চেম্বার
চূর্ণী নদী — মাথাভাঙা নদীর একটি প্রবাহ, যা মাজদিয়া থেকে শুরু হয়ে রানাঘাটের পাশ দিয়ে বয়ে শিবপুরে ভাগীরথীর সাথে মিলিত হয়েছে। এই নদীর তীরেই গড়ে উঠেছে রানাঘাট শহর, এবং এই শহরেই আছে নাসড়া মাগুর খালি, তুত বাগানে ড. প্রদ্যুৎ আচার্যের চেম্বার।
রবীন্দ্রনাথ তাঁর "দেবতার গ্রাস" কবিতায় চূর্ণী নদীর কথা লিখেছিলেন — এই নদীর তীরের শান্ত পরিবেশেই ড. আচার্য বহু বছর ধরে বসবাস ও জ্যোতিষচর্চা করে আসছেন।
রানাঘাটের একটি বিশেষত্ব হলো — এখানে এসে সরাসরি মুখোমুখি বসে পরামর্শ নেওয়ার সুযোগ আছে। রানাঘাট জংশন স্টেশন কলকাতা শিয়ালদহ থেকে লোকাল ট্রেনে সরাসরি যুক্ত, তাই আসা সহজ।
পালচৌধুরী জমিদার বাড়ি ও রবীন্দ্র ভবন — সংস্কৃতির শহর
রানাঘাটের পালচৌধুরী জমিদার বাড়ি — আড়াইশো বছরের পুরনো ইতিহাস বহন করে। দারিদ্র্য থেকে উঠে আসা এক পরিবার দান-ধ্যান-সেবার মাধ্যমে যে সম্মান অর্জন করেছিল, তার সাক্ষী এই স্কটিশ স্থাপত্যের বিশাল বাড়ি।
এশিয়ার প্রথম রবীন্দ্র ভবন তৈরি হয়েছিল এই রানাঘাটেই — রবীন্দ্রনাথের জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে স্থানীয় মানুষদের উদ্যোগে। কবি জয় গোস্বামীও এই শহরেই বেড়ে উঠেছেন।
এই সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার বহন করা শহরেই মানুষ জ্যোতিষের পাশাপাশি দর্শন ও আত্মজিজ্ঞাসাকেও গুরুত্ব দেয় — যা ড. আচার্যের পরামর্শদানের ধরনের সাথে দারুণভাবে মেলে।
রানাঘাট থেকে নবদ্বীপ, মায়াপুর — আধ্যাত্মিক বলয়ে
রানাঘাট থেকে অল্প দূরেই নবদ্বীপ ও মায়াপুর — শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর জন্মভূমি ও ইসকনের প্রধান কেন্দ্র। এই ভক্তিভূমির নৈকট্যে থেকেই ড. আচার্যের জ্যোতিষচর্চায় আধ্যাত্মিকতার গভীর ছাপ পড়েছে।
নদিয়া জেলা ঐতিহাসিকভাবেই বাংলার নব্য-ন্যায় দর্শন ও যুক্তিবাদী সংস্কৃতির কেন্দ্র। ড. আচার্য বলেন, জ্যোতিষ অন্ধ বিশ্বাস নয়, বরং নিজেকে বোঝা ও জীবনের দিশা খুঁজে পাওয়ার একটি যুক্তিনিষ্ঠ পথ।
রানাঘাট মহকুমার অধীনে শান্তিপুর, হাঁসখালি, বীরনগরের মানুষও সহজেই এই চেম্বারে এসে বা অনলাইনে পরামর্শ নিতে পারেন।
উপসংহার
চূর্ণী নদীর তীরে এই শান্ত শহরেই ড. প্রদ্যুৎ আচার্যের জ্যোতিষচর্চার ঘর-গৃহস্থালি। রানাঘাটের মানুষ একটি বিরল সুযোগ পান — সরাসরি চেম্বারে গিয়ে মুখোমুখি বসে পরামর্শ নেওয়ার। যাঁরা দূরে থাকেন, তাঁদের জন্য WhatsApp ও ভিডিও কলেও একই মনোযোগ ও বাংলায় পরামর্শ পাওয়া যায়।
