আসামের বরাক উপত্যকার প্রাণকেন্দ্র শিলচর — যে মাটিতে ভাষার জন্য মানুষ প্রাণ দিয়েছিলেন। ১৯৬১ সালের ১৯ মে-র সেই আত্মত্যাগ আজও বরাক উপত্যকার প্রতিটি বাঙালির হৃদয়ে এক গভীর গর্বের অনুভূতি জাগিয়ে তোলে।

ভাষার জন্য যে রক্ত ঝরেছিল

১৯৬১ সালের ১৯ মে শিলচর রেল স্টেশনে বাংলা ভাষাকে সরকারি ভাষার মর্যাদা দেওয়ার দাবিতে আন্দোলনরত এগারো জন মানুষ পুলিশের গুলিতে শহীদ হন।

ড. প্রদ্যুৎ আচার্য বলেন, "একটি ভাষার জন্য এত বড় আত্মত্যাগ পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল। এই আত্মত্যাগই প্রমাণ করে, মাতৃভাষা শুধু যোগাযোগের মাধ্যম নয় — এটি আত্মপরিচয়ের গভীরতম স্তর।"

এই ভাষাপ্রেমের কারণেই তিনি নিজের জ্যোতিষ পরামর্শকে সবসময় বাংলাতেই সীমাবদ্ধ রাখেন — কারণ মাতৃভাষায় বলা মনের কথাই প্রকৃত অর্থে বোঝা যায়।

বরাক নদীর কূলে চা বাগানের জীবনযাত্রা

বরাক নদীর তীরে গড়ে ওঠা এই উপত্যকায় চা শিল্প বহু পরিবারের প্রধান জীবিকা।

ড. আচার্য বলেন, "চা বাগানের প্রতিটি পাতা তোলার পেছনে থাকে অক্লান্ত পরিশ্রম। এই পরিশ্রমী মানুষদের জীবনের প্রশ্নগুলো আমার কাছে খুবই বাস্তব এবং গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়।"

বরাক উপত্যকার মানুষ ভাষার জন্য লড়াই করেছেন, জীবনের জন্যও লড়াই চালিয়ে যান প্রতিদিন। জ্যোতিষ সেই লড়াইয়ে একটি দিশা দিতে পারে।— ড. প্রদ্যুৎ আচার্য

রাজ্যের সীমানা পেরিয়ে ভাষার বন্ধন

শিলচর থেকে রাণাঘাট অনেক দূরে, তবু WhatsApp ভিডিও কলের মাধ্যমে এই দূরত্ব মুহূর্তেই মিলিয়ে যায়।

করিমগঞ্জ, হাইলাকান্দির মানুষদের ক্যারিয়ার, বিবাহ, ব্যবসা সংক্রান্ত প্রশ্নে নদিয়ার মাটির সন্তান হয়েও ড. আচার্য বিশ্বাস করেন, জ্যোতিষের ভাষা কোনো রাজ্যের সীমায় বাঁধা থাকে না — মাতৃভাষা বাংলাই তাঁকে বরাক উপত্যকার মানুষের সাথে সংযুক্ত করে।

ভাগ্য পাথরে লেখা নয় — সচেতন কর্মেই তার দিশা বদলায়। এই বিশ্বাস নিয়েই তিনি বরাক উপত্যকার হাজারো বাঙালি মানুষকে পরামর্শ দিয়েছেন।

উপসংহার — ভাষাশহীদের ভূমিতে জীবনের দিশা

শিলচরের মাটি শেখায় — মাতৃভাষার প্রতি ভালোবাসা এক অবিনশ্বর শক্তি। ড. প্রদ্যুৎ আচার্যের জ্যোতিষ পরামর্শও ঠিক তেমনই — রাজ্যের সীমানা পেরিয়ে মাতৃভাষায় হৃদয়ের সংযোগ।

শিলচর থেকে করিমগঞ্জ, হাইলাকান্দি থেকে বরাক নদীর তীর — বরাক উপত্যকার প্রতিটি বাঙালি মানুষের পাশে আছেন তিনি, WhatsApp ভিডিও কলের এক ক্লিক দূরত্বে।

ভাষার জন্য আত্মত্যাগের মাটিতে বাংলা পরামর্শ

শিলচর বরাক উপত্যকার কেন্দ্রবিন্দু — সেই শহর যেখানে ১৯৬১ সালে বাংলা ভাষার অধিকারের জন্য ১১ জন প্রাণ দিয়েছিলেন। ১৯ মে বাংলা ভাষা শহিদ দিবস হিসেবে এই শহরে আজও গভীর আবেগের সঙ্গে পালিত হয়। বরাক নদীর তীরে এই শহরের বাঙালিরা আসামের মাটিতে নিজস্ব সংস্কৃতি, ভাষা ও ধর্মীয় ঐতিহ্য দৃঢ়ভাবে ধরে রেখেছেন।

শিলচর, করিমগঞ্জ, হাইলাকান্দির বাঙালি পরিবারগুলি পশ্চিমবঙ্গের বিশ্বস্ত জ্যোতিষীর কাছে পৌঁছাতে চান। আসামে কর্মরত বা বসবাসরত বাঙালিদের জন্য WhatsApp ভিডিও কলে বাংলায় পরামর্শ নেওয়া এখন সহজ। ড. আচার্য আসামের বাঙালিদের জীবনের বাস্তবতা বোঝেন এবং সেই অনুযায়ী পরামর্শ দেন।